২০ ডিসেম্বর, ২০২৫ (বিবিনিউজ) : বাংলাদেশের পেসারদের বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে দাপট ছড়ানো দেখতে কার না ইচ্ছা করে। গতকাল রাতটা ছিল তেমন এক সুযোগ। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টিতে (আইএলটি২০) মুখোমুখি হয়েছিল দুবাই ক্যাপিটালস ও শারজা ওয়ারিয়রস। বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখে ম্যাচটা ছিল আসলে ‘বাংলা পেস লড়াই’—তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমানের লড়াই।
মোস্তাফিজ সেই লড়াইয়ে জিতেছেন। তবে উইকেটসংখ্যাকে ফুটবলের গোল বিবেচনা করলে বলতে মোস্তাফিজকে ৩-২ ‘গোলে’ হারিয়েছেন তাসকিন। দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে তাসকিনদের স্বাগতিক দলের বিপক্ষে ৬৩ রানে জিতেছে মোস্তাফিজদের শারজা। ম্যাচে তাসকিনের বোলিং বিশ্লেষণ ৪-০-৪০-৩, মোস্তাফিজের বোলিং বিশ্লেষণ ২-০-১৩-২। প্রশ্নও উঠতে পারে একটি—মোস্তাফিজকে দিয়ে কেন মাত্র ২ ওভার বোলিং করালেন দুবাই অধিনায়ক দাসুন শানাকা?
স্কোরকার্ডে তাকালে ক্রিকেটীয় ব্যাখ্যাটা মিলতে পারে। টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ উইকেটে ১৮০ রান তোলে দুবাই। তাড়া করতে নেমে শারজা ১৭ ওভারে অলআউট হয় ১১৭ রানে। তাদের ইনিংসে দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসে ৮ রান দিয়ে ওপেনার জনসন চার্লসকে ফেরান মোস্তাফিজ। এরপর ১৬তম ওভারে মোস্তাফিজ বোলিংয়ে আসার আগেই ১০৮ রান তুলতে ৭ উইকেট হারিয়ে বসে শারজা।
ওয়াকার সালামখিল, হায়দার আলী ও মোহাম্মদ নবী মাঝে দারুণ বোলিং করায় সম্ভবত মোস্তাফিজকে আনার দরকার মনে করেননি শানাকা। আর শারজার হারও মোটামুটি তখনই নিশ্চিত হয়ে যায়। মোস্তাফিজ তাঁর দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে আসার আগে ৩ উইকেট হাতে রেখে ৩০ বলে ৭৩ দরকার ছিল শারজার। ১৬তম ওভারে মোস্তাফিজ ৫ রান দিয়ে ফেরান আদিল রশিদকে।
